*পীরানে পীর গাউসুল আযম বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (আ:) বলেছেন:*
সৈয়দ আহম্মদ (রহ:)আনোয়ারে আহমদী নামক কিতাবে গাউসূল আযম বড়পীর (আ:)এর জেষ্ঠ্য সাহেবজাদা হযরত শায়েখ আব্দুল ওহাব(আ:)হতে বর্ণিত আছে,যে গাউসূল আযম বড়পীর তেনার পর্দানিশানীর পূর্ব্ মুহুর্তে বলেছেন কেহ যদি আমার উসিলা দিয়ে প্রার্থনা করে অবশ্যই তাহা আল্লাহর দরবারে কবুল হইবে।
যে ব্যক্তি কোন বিপদের সময় আমার কাছে ফরিয়াদ করে,তা দুর হয়ে যাবে।কোন কঠিন অবস্থায় আমার নাম নিয়ে ডাক দিবে,সে কাঠিন্য দুর হয়ে যাবে ।যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন হাজত পেশ করার সময় আমাকে উসীলা বানাবে,সে হাজত পূর্ণ হবে। কিন্তু প্রকৃতই যদি উহা কবুল না হয় ,তবে বিশুদ্ধ চিত্তে দু-রাকাত নামায(সালাতে গাউসিয়া)পড়বে,প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতেহার পর এগারবার সূরা এখলাস পাঠ করবে তারপর সালাম ফিরিয়ে রাসুল (সা:)এর উপর এগারবার দরুদ ও সালাম প্রেরণ করবে ।তারপর বাগদাদ শরীফের দিকে এগার কদম যাবে এবং আমার নাম নেবে এবং স্বীয় হাজত পেশ করবে ।তাহলে নি:সন্দেহে আল্লাহর হুকুমে সেই হাজত পূর্ণ হবে ।
”ওমর বাযযাজ(রহ:)”বলেন:আমি পীরানে পীর গাউসুল আযম বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (আ:)থেকে নিজে শুনেছি যে,যে ব্যক্তি বিপদে আমার কাছে সাহায্য চাইবে,আমি তা দুর করে দিব,যে ব্যক্তি কাঠিন্যর সময় আমার নাম নিয়ে ডাক দিবে,আমি তা দুর করে দেই,যে ব্যক্তি হাজতের সময় আমার উসীলা নেবে আমি তা পূরণ করে দিই ।তথ্য সুত্র: বাহজাতুল আসরার পৃ:৩৬৩, তাকমীলুল ঈমান পৃষ্ঠা:১১৯